Advertisement

মাত্র তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে নিয়ে কোনওক্রমে টিকে আছে বিদ্যালয়!

মাত্র তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে নিয়ে কোনওক্রমে টিকে আছে বিদ্যালয়! অথচ সেই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার হঠাৎ বদলির নোটিশ জারি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ল গোটা এলাকা!! শনিবার সকালে তেলিয়ামুড়া থানাধীন তেলিয়ামুড়া বিদ্যালয়ের পরিদর্শক এর অধীন থাপিদয়াল উচ্চ বিদ্যালয় চত্বর যেন রণক্ষেত্র!!! ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবক— সকলেই একসুরে জানিয়েছেন, “এই বিদ্যালয় থেকে আর একজন শিক্ষকও বদলি নয়!”

বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রায় ৮৬ জন ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে। অথচ শিক্ষক সংখ্যা মাত্র তিন। এই সীমিত শিক্ষকবলে প্রতিদিনের পাঠক্রম চালানোই এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। এর মধ্যে একজন অভিজ্ঞ শিক্ষিকার বদলির খবর ছড়াতেই শনিবার সকালেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল। বিদ্যালয়ের গেটের তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন তারা। এরপরই শুরু হয় তেলিয়ামুড়া–ঘিলাতলী সড়ক অবরোধ। দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তায়।
ঘটনার খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রায় এক ঘণ্টা উত্তেজনার পর পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এলাকাজুড়ে রয়ে গিয়েছে প্রবল অসন্তোষের সুর।
স্থানীয় এক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই স্কুলে এত কম শিক্ষক নিয়ে বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। এখন যদি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষিকাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে পড়াশোনার মান পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।”
অভিভাবকদের দাবি, থাপিদয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ইতিমধ্যেই শিক্ষক সংকটে জর্জরিত। প্রশাসন যদি বদলির আদেশ প্রত্যাহার না করে, তবে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।এলাকার শিক্ষিত মহলের বক্তব্য, পাহাড়-প্রান্তরের এই বিদ্যালয়গুলিতে দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক স্বল্পতার সমস্যা প্রকট। সরকার শিক্ষা উন্নয়নের কথা বললেও বাস্তবে বিদ্যালয়গুলির অবস্থা এখন অত্যন্ত নাজুক।

মাত্র তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে নিয়ে কোনওক্রমে টিকে আছে বিদ্যালয়! অথচ সেই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার হঠাৎ বদলির নোটিশ জারি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ল গোটা এলাকা!! শনিবার সকালে তেলিয়ামুড়া থানাধীন তেলিয়ামুড়া বিদ্যালয়ের পরিদর্শক এর অধীন থাপিদয়াল উচ্চ বিদ্যালয় চত্বর যেন রণক্ষেত্র!!! ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবক— সকলেই একসুরে জানিয়েছেন, “এই বিদ্যালয় থেকে আর একজন শিক্ষকও বদলি নয়!”

বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রায় ৮৬ জন ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে। অথচ শিক্ষক সংখ্যা মাত্র তিন। এই সীমিত শিক্ষকবলে প্রতিদিনের পাঠক্রম চালানোই এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। এর মধ্যে একজন অভিজ্ঞ শিক্ষিকার বদলির খবর ছড়াতেই শনিবার সকালেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল। বিদ্যালয়ের গেটের তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন তারা। এরপরই শুরু হয় তেলিয়ামুড়া–ঘিলাতলী সড়ক অবরোধ। দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তায়।
ঘটনার খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রায় এক ঘণ্টা উত্তেজনার পর পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এলাকাজুড়ে রয়ে গিয়েছে প্রবল অসন্তোষের সুর।
স্থানীয় এক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই স্কুলে এত কম শিক্ষক নিয়ে বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। এখন যদি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষিকাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে পড়াশোনার মান পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।”
অভিভাবকদের দাবি, থাপিদয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ইতিমধ্যেই শিক্ষক সংকটে জর্জরিত। প্রশাসন যদি বদলির আদেশ প্রত্যাহার না করে, তবে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।এলাকার শিক্ষিত মহলের বক্তব্য, পাহাড়-প্রান্তরের এই বিদ্যালয়গুলিতে দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক স্বল্পতার সমস্যা প্রকট। সরকার শিক্ষা উন্নয়নের কথা বললেও বাস্তবে বিদ্যালয়গুলির অবস্থা এখন অত্যন্ত নাজুক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *