Advertisement

মহিলাদের অর্থ নৈতিক ভাবে সাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য উদয়পুর টেপানিয়া সমষ্টি উন্নয়ন দপ্তরের উদ্দ্যেগে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা।

দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্য সরকার ও চাইছে মহিলাদের অর্থ নৈতিক ভাবে সাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য।এই লক্ষ্য নিয়ে এই রাজ্যে মহিলা দ্বারা পরিচালিত স্ব- সহায়ক দল গঠন করে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার জন্য সরকার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। উদয়পুর টেপানিয়া সমষ্টি উন্নয়ন দপ্তরের উদ্দ্যেগে অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন স্ব- সহায়ক দলের মায়েদের নিয়ে এক আলোচনা সভা।প্রদীপ জ্বালিয়ে এর শুভ সূচনা করেন টেপা নিয়া সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দিব্যশ্রী দাশগুপ্ত, পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান ঝর্না রানী দাশ, পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দেবনাথ সহ বিভিন্ন ব্যাংকের আধিকারিক গন সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ছিলেন উপস্থিত। আলোচনা করতে গিয়ে টেপা নিয়া সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দিব্যশ্রী দাশগুপ্ত বলেন, মায়েদের আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলার জন্য রাজ্য সরকার কাজ করছে আর এতে করে মায়েরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম হচ্ছে। আরো কিভাবে মায়েররা বোনেরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আত্মনির্ভর হতে পারেন সেই লক্ষ্য কে সামনে রেখে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে আধিকারিকরা এবং বিভিন্ন দপ্তর থেকে এই আলোচনা সভায় উপস্থিত থেকে মায়েদের – বোনদের নিজেদের কে কি ভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা স্টেট অপারেটিভ ব্যাংক থেকে সুরেন জমাতিয়াকে ২ লাখ টাকা এবং ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে দর্পণ ও জন এস এইচ জি গ্রুপকে ৬ লাখ টাকা এবং নেতাজি ও ডালিয়া এস এইচ জি গ্রুপকে ৯ লক্ষ টাকা ঋণ হিসেবে সাহায্য করা হয়। আলোচনা করতে গিয়ে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দিব্যশ্রী দাশগুপ্ত বলেন, সরকারি অনুদান সহ ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে 18 বছর উপর যে কোন যুবক-যুবতী প্রাইম মিনিস্টার এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারেন। এই প্রকল্প আবেদন করার জন্য কোন আয়ের সীমা নেই। উৎপাদন ক্ষেত্রে এবং পরিষেবা বা ব্যবসা ক্ষেত্রে উদ্যোগ স্থাপনের জন্য ঋণের আবেদন করা যেতে পারে। উৎপাদন ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার বেশি প্রকল্প ব্যয় হলে এবং পরিষেবা বা ব্যবসা ক্ষেত্রে প্রকল্প পেয়ে ৫ লাখ টাকার উপর হলে প্রার্থী যোগ্যতা হতে হবে অষ্টম শ্রেণী পাস। এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাংক সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়াও মৎস্য দপ্তর, প্রাণিসম্পদ দপ্তর, শিল্প দপ্তর ও সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন যাতে করে এ রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীরা নিজের পায়ে স্বাবলম্বন হয়ে নিজেকে আত্মনির্ভর করে তুলতে পারে। কি সবার বিভিন্ন ব্যাংক থেকে স্টল খুলে যাদের বিভিন্ন সমস্যার হয়েছে সে সমস্ত সমস্যার সমাধান করার জন্য সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই সভায় বিভিন্ন স্ব- সহায়ক দলের মা- বোনদের উপস্থিত ছিল চোখে পড়ার মতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *